ইসলাম কোন মানব রচিত জীবন ব্যবস্থা নয় বরং ইট ওয়াহীনির্ভর আল্লাহপ্রদত্ত ও মনোনীত পরিপূর্ণ জীবন ব্যবস্থা । আর ইসলামী শরীয়াতের মূন ভিত্তি হল কুরআন ও সুন্নাহ । সুতরাং পবিত্র কুরআন যেমন ওয়াহী সুন্নাহও তেমনী আল্লাডপ্রদত্ত ওয়াহী ।

”আর তিনি (নাবী ছা) প্রবৃত্তির তাড়নায় কথা বলেন না, বরং তাকে যা ওয়াহী করা হয় শুধুমাত্র তাই বলেন ।”
সূরা আন-নাজম ৫৩:৩-৪

আবার দেখুন,

“আল্লাহ ও তাঁর রাসূল কোন কাজের নির্দেশ দিলে কোন ঈমানদার পুরুষ ও ঈমানদার নারীর সে বিষয়ে কোন এখতিয়ার থাকে না, আর যে আল্লাহর ও তাঁর রাসূলের অবাধ্য হয় যে প্রকাশ্য পথভ্রষ্টতায় পতিত হয়”
(সূরা আহযাব: ৩৩:৩৬)

অন্য জায়গায় বলেন,

“তারপর তোমার রবের কসম । তারা কখনও ঈমানদার হতে পরবে না, যতক্ষণ না তাদের মধ্যকার সৃষ্ট বিবাদরে ব্যাপারে তারা তোমাকে ফয়সালাকরী হিসেবে মেনে নয়ে, অতঃপর তোমার ফায়সালা ব্যাপারে তারা কোন রকম সংকীর্ণতা পাবে না এবং তা হৃষ্টচিত্তে কবূল করে নিবে । ’’
(সূরা নিসা ৪:৬৫)

সুতরাং,
সুন্নাতের অনুসরণ ছাঢ়া যেমন ঈমানদার হওয়া সম্ভব নয়, ঈমানদার হওয়ার পর তেমনি মনে প্রাণে সুন্নাতের লালন করা ছাড়া পূর্ণ মানাও সম্ভন নয় । শুধুমাত্র কুরআনুল কারীমকে আঁকাড়ে ধরে পূর্ণ ইসলাম মানা কখনও সম্ভব নয়, বরং এ নীতি মানুষকে পথভ্রষ্ট করে ইসলাম হতে বের করে দিবে এবং পরকালে জান্নাত পাওয়া অসম্ভব হয়ে যাবে ।

এবার একটি হাদিস উল্লেখ করি :

সাহাবী আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত: রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন: আমার সকল উম্মতই জান্নাতে প্রবেশ করবে, তাবে যারা অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করেছে তারা ব্যতীত । জিজ্ঞাসা করা হল: কারা অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করেছে? তিনি বললেন: যে আমার অনুসরণ করে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে, আর যে আমাকে অমান্য কের সেই অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করেছে । (বুখারী – ৬৭৩৭)

এ হাদীস দ্বারা স্পষ্ট প্রতীয়মান হয় যে, রাসুল (ছাঃ) এর সুন্নাহর যথাযথ অনুসরণের কোন বিকল্প নেই ।

এতএব ইসলামী শরীয়াতে সুন্নাহর গুরুত্ব ও তাৎপর্য কতটুকু তা বলার আর কোন অপেক্ষা রাখে না ।

About Author: Nickty