Cart

0

অজু

ওযুর নিয়ম ফযীলত বিবরণ ও ভঙ্গের কারণসহ দলিল ভিত্তিক আলোচনা

আস্সালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু,
আমরা আল্লাহর প্রশংসা করছি কারণ তিনি আমাদেরকে প্রত্যেকটি কাজেক নিয়ম বিস্তারীতভাবে জানিয়েছেন, যেমটি জানিয়েছেন ওযুর নিয়ম সম্পর্কে ।  যিনি আপনার জন্য হেদায়েতর পথকে সহজ করে দিয়েছেন, আপনার অন্তরকে খুলে দিয়েছেন। আমরা আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি তিনি যেন আমাদেরকে ও আপনাকে তাঁর আনুগত্যের ওপর অবিচল রাখেন। আপন ধর্মীয় বিষয়গুলো শেখার জন্য আপনার উদ্যোগকে আমরা স্বাগত জানাই। আমরা আপনাকে অব্যাহতভাবে ইলম অর্জনের উপদেশ দিচ্ছি; যে ইলমের মাধ্যমে আপনি আপনার ইবাদতকে নির্ভুল করতে পারবেন। আরবী ভাষা শেখার প্রতি আগ্রহী হতে আপনাকে উদ্বুদ্ধ করি; যাতে করে আপনি কুরআন শরীফ পড়তে পারেন ও যথাযথভাবে কুরআন বুঝতে পারেন। আমরা আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি তিনি যেন আপনাকে কল্যাণকর ইলম দান করেন।

ওযু হচ্ছে পবিত্র অর্জনের একটি অন্যতম মাধ্যম। আর ওযু শব্দের অর্থ হচ্ছে “স্বচ্ছতা।

অজুর নিয়ম

পারিভাষিক অর্থে – পবিত্র পানি দ্বারা শারাঈ পদ্বতিতে হাত, মুখ, পা ধৌত করা ও (ভিজা হাতে মাথা মাসাহ করাকে ওযু বলে।

১। সমস্ত মুখমণ্ডল একবার ধৌত করা। এর মধ্যে- গড়গড়া কুলি ও নাকে পানি দেয়াও অন্তর্ভুক্ত হবে।

২। কনুই পর্যন্ত হাত একবার ধৌত করা।

৩। সমস্ত মাথা একবার মাসেহ করা। এর মধ্যে কানদ্বয় মাসেহ করাও অন্তর্ভুক্ত হবে।

৪। দুই পায়ের টাকনু পর্যন্ত একবার ধৌত করা।

পূর্বোক্ত প্রতিটি ক্ষেত্রে ‘একবার’ দ্বারা উদ্দেশ্য হচ্ছে- সংশ্লিষ্ট অঙ্গের কোন অংশ যেন ধোয়া থেকে বাদ না পড়ে।

৫। এই ক্রমধারা বজায় রাখা। অর্থাৎ প্রথমে মুখমণ্ডল ধৌত করবে, এরপর হাতদ্বয় ধৌত করবে, এরপর মাথা মাসেহ করবে, এরপর পা দুইটি ধৌত করবে। কেননা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এই ক্রমধারা বজায় রেখে ওযু করেছেন।

৬। পরম্পরা রক্ষা করা। অর্থাৎ উল্লেখিত অঙ্গগুলো ধৌত করার ক্ষেত্রে পরম্পরা রক্ষা করা; যাতে করে একটি অঙ্গ ধোয়ার পর অপরটি ধোয়ার মাঝখানে স্বাভাবিকের চেয়ে দীর্ঘ সময়ের বিরতি না পড়ে। বরং এক অঙ্গের পরপর অপর অঙ্গ ধারাবাহিকভাবে ধৌত করা।

এগুলো হচ্ছে- ওজুর ফরয কাজ; ওজু শুদ্ধ হওয়ার জন্য যে কাজগুলো অবশ্যই করতে হবে।

এ ব্যাপারে মহান আল্লাহ বলেন-  يا ايها الذ ين امنؤ إذ قمتم إلى الصلا ة فا غسلوا وجوهكم و ايد يكم إلى ا لمرافق وا  مسحوا برءوسكم و إر جلكم إلى الكعبن

হে ইমানদার বিশ্বাসিগণ ! যখন তোমরা ছালাতের জন্য প্রস্তুত  হও, তখন তোমাদের মুখমন্ডল ও হস্তদ্বয় কনুই সহ  ধৌত কর ও তোমাদের মাথা মাসাহ কর ও পদযুগল টাখনু সহ ধৌত কর….. (মায়েদাহ-৬)

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সুন্নাহতে বর্ণিত হয়েছে; ওযুর বিস্তারিত পদ্ধতি নিম্নরূপ:

১। ব্যক্তি নিজে পবিত্রতা অর্জন ও হাদাস (ওজু না থাকার অবস্থা) দূর করার নিয়ত করবে। তবে নিয়ত উচ্চারণ করবে না। কেননা নিয়তের স্থান হচ্ছে- অন্তর। সকল ইবাদতের ক্ষেত্রেই নিয়তের স্থান অন্তর।

২। বিসমিল্লাহ বলবে।

৩। হাতের কব্জিদ্বয় তিনবার ধৌত করবে।

৪। এরপর তিনবার গড়গড়া কুলি করবে (গড়গড়া কুলি: মুখের ভেতরে পানি ঘুরানো)। বাম হাত দিয়ে তিনবার নাকে পানি দিবে ও তিনবার নাক থেকে পানি ঝেড়ে ফেলে দিবে। ‘ইস্তিনশাক’ শব্দের অর্থ- নাকের অভ্যন্তরে পানি প্রবেশ করানো। আর ‘ইস্তিনসার’ শব্দের অর্থ- নাক থেকে পানি বের করে ফেলা।

৫। মুখমণ্ডল তিনবার ধৌত করবে। মুখমণ্ডলের সীমানা হচ্ছে- দৈর্ঘ্যে মাথার স্বাভাবিক চুল গজাবার স্থান থেকে দুই চোয়ালের মিলনস্থল ও থুতনি পর্যন্ত। প্রস্থে ডান কান থেকে বাম কান পর্যন্ত। ব্যক্তি তার দাঁড়ি ধৌত করবে। যদি দাঁড়ি পাতলা হয় তাহলে দাঁড়ির ওপর ও অভ্যন্তর উভয়টা ধৌত করবে। আর যদি দাঁড়ি এত ঘন হয় যে চামড়া দেখা যায় না তাহলে দাঁড়ির ওপরের অংশ ধৌত করবে, আর দাঁড়ি খিলাল করবে।

৬। এরপর দুই হাত কনুই পর্যন্ত তিনবার ধৌত করবে। হাতের সীমানা হচ্ছে- হাতের নখসহ আঙ্গুলের ডগা থেকে বাহুর প্রথমাংশ পর্যন্ত। ওজু করার আগে হাতের মধ্যে আঠা, মাটি, রঙ বা এ জাতীয় এমন কিছু লেগে থাকলে যেগুলো চামড়াতে পানি পৌঁছাতে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে সেগুলো দূর করতে হবে।

৭। অতঃপর নতুন পানি দিয়ে মাথা ও কানদ্বয় একবার মাসেহ করবে; হাত ধোয়ার পর হাতের তালুতে লেগে থাকা অবশিষ্ট পানি দিয়ে নয়। মাসেহ করার পদ্ধতি হচ্ছে- পানিতে ভেজা হাতদ্বয় মাথার সামনে থেকে পেছনের দিকে নিবে; এরপর পুনরায় যেখান থেকে শুরু করেছে সেখানে ফিরিয়ে আনবে। এরপর দুই হাতের তর্জনী আঙ্গুল কানের ছিদ্রতে প্রবেশ করাবে এবং বৃদ্ধাঙ্গুলি দিয়ে কানের পিঠদ্বয় মাসেহ করবে। আর মহিলার মাথার চুল ছেড়ে দেয়া থাকুক কিংবা বাঁধা থাকুক; মাথার সামনের অংশ থেকে ঘাড়ের ওপর যেখানে চুল গজায় সেখান পর্যন্ত মাসেহ করবে। মাথার লম্বা চুল যদি পিঠের ওপর পড়ে থাকে সে চুল মাসেহ করতে হবে না।

৮। এরপর দুই পায়ের কা’ব বা টাকনু পর্যন্ত ধৌত করবে। কা’ব বলা হয় পায়ের গোছার নিম্নাংশের উঁচু হয়ে থাকা হাড্ডিদ্বয়কে। দলিল হচ্ছে ইতিপূর্বে উল্লেখিত উসমান (রাঃ) এর ক্রীতদাস হুমরান এর বর্ণনা যে, একবার উসমান বিন আফফান (রাঃ) ওযুর পানি চাইলেন। এরপর তিনি ওযু করতে আরম্ভ করলেন। (বর্ণনাকারী বলেন), উসমান (রাঃ) হাতের কব্জিদ্বয় তিনবার ধুইলেন, এরপর কুলি করলেন এবং নাক ঝাড়লেন। এরপর তিনবার তার মুখমণ্ডল ধুইলেন এবং ডান হাত কনুই পর্যন্ত তিনবার ধুইলেন। অতঃপর বাম হাত অনুরূপভাবে ধুইলেন। অতঃপর তিনি মাথা মাসেহ করলেন। এরপর তার ডান পা টাখনু পর্যন্ত তিনবার ধুইলেন। অতঃপর অনুরূপভাবে বাম পা ধুইলেন। তারপর বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে আমার এ ওযুর করার ন্যায় ওযু করতে দেখেছি এবং ওযু শেষে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি আমার এ ওযুর ন্যায় ওযু করবে এবং একান্ত মনোযোগের সাথে দু’ রাকাআত সালাত আদায় করবে, সে ব্যক্তির পিছনের সকল গুনাহ মাফ করে দেয়া হবে।”[সহিহ মুসলিম, ত্বহারাত ৩৩১]

ওজু শুদ্ধ হওয়ার জন্য শর্ত হচ্ছে- ইসলাম গ্রহণ করা, আকলবান হওয়া, বুঝদার হওয়া ও নিয়ত করা। এসব শর্তের কারণে কোন কাফের ওযু করলে ওযু হবে না। পাগলের ওযু হবে না। বুঝদার হয়নি এমন শিশুর ওযু হবে না। নিয়ত করেনি এমন ব্যক্তির ওযু হবে না; উদাহরণতঃ কেউ যদি ঠাণ্ডা উপভোগ করার নিয়তে এ অঙ্গগুলো ধৌত করে। ওযু শুদ্ধ হওয়ার জন্য পানি পবিত্রকারী হতে হবে। নাপাক পানি দিয়ে ওযু শুদ্ধ হবে না। অনুরূপভাবে ওযু শুদ্ধ হওয়ার জন্য যেসব বস্তু চামড়াতে ও নখে পানি পৌঁছতে বাধা দেয় সেসব জিনিস দূর করতে হবে; যেমন- মহিলাদের নখের মধ্যে ব্যবহৃত নেইল পলিশ।

ওযুর পূর্বে মিশওয়াক করা ভাল এব্যাপারে রাসূল সা: বলেন…..আমার উম্মতের উপর কষ্টকর মনে না করলে আমি তাদেরকে এশার সালাত দেরীতে এবং প্রতি ছালাতে মিশওয়াক করার নির্দেশ দিতাম (সুত্র:-মুত্তাফাক্ব আলাইহ,মিশকাত হা/৩৭৬)

ওযুতে বিসমিল্লাহ পড়ার বিধান রয়েছে। তবে আলেমেরা মতানৈক্য করেছেন— বিসমিল্লাহ পড়া ওয়াজিব নাকি মুস্তাহাব? ওযুর শুরুতে কিংবা মাঝখানে যে ব্যক্তির স্মরণে থাকে তার উচিত বিসমিল্লাহ পড়া।

পুরুষ ও মহিলার ওযু করার পদ্ধতিতে কোন পার্থক্য নেই।

ওযু সমাপ্ত করার পর এই দোয়া বলা মুস্তাহাব: ‘আশহাদু আনলা লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকা লাহ। ওয়া আন্না মুহাম্মাদান আবদুহু ওয়া রাসূলুহ’। দলিল হচ্ছে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “তোমাদের কেউ যখন ওযু করে এবং পরিপূর্ণভাবে পানি পৌঁছায় কিংবা (বলেছেন) পরিপূর্ণভাবে ওযু করে এরপর বলে: ‘আশহাদু আনলা লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকা লাহ। ওয়া আন্না মুহাম্মাদান আবদুহু ওয়া রাসূলুহ’ (অর্থ- আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া সত্য কোন উপাস্য নেই। তিনি এক। তাঁর কোন শরিক নেই। আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রাসূল) তার জন্য জান্নাতের আটটি দরজায় খুলে দেয়া হয়। সে দরজা দিয়ে ইচ্ছা সে দরজা দিয়ে প্রবেশ করবে”[সহিহ মুসলিম, ত্বহারাত ৩৪৫; সুনানে তিরমিযিতে আরেকটু অতিরিক্ত এসেছে যে, ‘আল্লাহুম্মাজ আলনি মিনাত্তাওয়্যাবীন ওয়াজ আলনি মিনাল মুত্বাতাহ্হিরীন’ (অর্থ- হে আল্লাহ! আমাকে আপনি তওবাকারীদের অন্তর্ভুক্ত করুন, আমাকে পবিত্রতা অর্জনকারীদের অন্তর্ভুক্ত করুন)[সহিহুত তিরমিযি গ্রন্থে (৪৮) আলবানী হাদিসটিকে ‘সহিহ’ আখ্যায়িত করেছেন]

[দেখুন শাইখ আল-ফাওযান লিখিত ‘আল-মুলাখ্খাস আল-ফিকহী’ ১/৩৬]

আপনি লিখেছেন “আমি আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি তিনি যেন, আমাদের নবীর প্রতি দয়া করেন”: শরয়ি বিধান হচ্ছে- রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামে ওপর দরুদ পড়া; ঠিক যেভাবে আমাদের রব্ব আমাদেরকে নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেন: “নিশ্চয় আল্লাহ্‌ নবীর প্রশংসা করেন এবং তাঁর ফেরেশ্‌তাগণ নবীর জন্য দো’আ-ইসতেগফার করেন। হে ঈমানদারগণ! তোমরাও নবীর উপর সালাত (দরুদ) পাঠ কর এবং তাঁকে যথাযথভাবে সালাম জানাও।”[সূরা আল-আহযাব, আয়াত: ৫৬]

ওযুর ফযিলত:

রাসুল সা: বলেন- কালো ঘোড়া সমুহের মধ্যে কপাল চিতা ঘোড়া যেভাবে চেনা যায়.. ক্বিয়ামতের ‍দিন আমার উম্মতের ওযুর অঙ্গগুলির ঔজ্জ্বল্য দেখে আমি তাদেরকে অনুরুপ ভাবে চিনব এবং তাদেরকে হাউয কাওছারের পানি পান করানোর জন্য আগেই পৌছে যাব। ( মুসলিম, মেশকাত হা/২৯৮)

তিনি আরো বলেন- আমি কি তোমাদের বলব কোন বস্তু দ্বারা আল্লাহ তোমাদের গোনাহ অধিক হারে মাপ করবেন, ও সম্মানের স্তর বাড়িয়ে দিবেন?  —- সেটি হল কষ্টের সময় ভালভাবে ওযু করা , বেশী বেশী মসজিদে যাওয়া ও এক ছালাতের পরে আরেক ছালাতের জন্য অপেক্ষা করা — (সুত্র:–মুসলিম, মিশকাত হা/২৮২)

তিনি আরোও বলেন— যে, “ছালাতের চাবি হল ওযু”

(সুত্র:- আবু দাউদ, তিরমিযী, দারেমী, মিশকাত হা/৩১২ , পবিত্রতা অধ্যায় – ৩ অনুচ্ছেদ -১)

যে সব কারনে ওযু নষ্ট হয়ঃ

১. প্রসাব বা পায়খানা করলে।

২. পায়খানার রাস-া দিয়ে বায়ু বা অন্য কিছূ নির্গত হলে।

৩. শরীরের কোন অংশ থেকে রক্ত বা পুজ বের হয়ে গড়িয়ে পড়লে।

৪. নিদ্রাভিভুত হলে অর্থাৎ কাত হয়ে বা হেলান দিয়ে কিংবা এমন কিছুতে ঠেস দিয়ে যে,তা সরিয়ে নিলে সেপড়ে যাবে।

৫. মুখ ভরে বমি করলে।

৬. নামাযের মধ্যে শব্দ করে হাসলে।

৭. পাগল বা মাতাল হলে।

৮. কারো নাক দিয়ে কোন কিছু ঢুকে মুখ দিয়ে বের হলে।

৯. যদি মুখ দিয়ে থুথুর সাথে রক্ত বের হয় এবং থুথুর চেয়ে রক্তের পরিমান বেশী বা সমান হয় তাহলে ওযু ভেঙ্গেযাবে।

১০. স্ত্রীকে কাম ভাব সহকারে স্পর্শ করলে ওযু ভঙ্গ হয়ে যাবে।

১১. লজ্জা স্থানে বিনা আবরনে হাত পড়লে ওযু ভঙ্গ হয়ে যাবে।

মাসয়ালা

১. কোন কিছুর আঘাতে বা মেসওয়াকের কারনে থুথুর সাথে রক্ত দেখা গেলে ওজূ যাবেনা।যতক্ষন না রক্তপ্রবাহিত হয়ে মুখ থেকে বের হয়ে আসে।

২. স্ত্রী-স্বামীকে  কিংবা স্বামী-স্ত্রীকে স্বাভাবিক ভাবে স্পর্শ করলে(কাম ভাব ব্যতিত)ওযু নষ্ট হয় না।

৩. লজ্জা স্থানে কোন কাপড়ের উপর দিয়ে হাত পড়লে বা নজর পড়লে ওযু নষ্ট হয় না।

৪. কারো ওযু ছিল হঠাৎ সন্দেহ হলো যে,ওযু আছে কি নাই।এই অবস্থায় ওযু আছে বলে ধরে নিতে হবে।তবেনতুন ওযু করে নেওয়াই উত্তম।

৫. কারো ওযু ছিলনা পরে ওযু করেছে কিনা তা সন্দেহ হলে এই অবস্থায় ওযু করে নিতে হবে।

তায়াম্মুমঃ-“অতঃপর পানি না পাও তবে তোমরা পবিত্র মাটি দ্বারা তায়াম্মুম করে নাও অর্থাৎ স্বীয় মুখ মন্ডল ওহস-দ্বয় মাটি দ্বারা মুছে ফেল”।–মায়িদা-৬।H

About author:-

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

October 2019
M T W T F S S
« Jul    
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031  

Image Widget

Post Categories

Social Links

Text Widget

Many desktop publishing packages and web page editors now use Lorem Ipsum as their default model text, and a search for ‘lorem ipsum’ will uncover many web sites still in their infancy.

X